ঢাকা, ২০ জুলাই ২০২৬ (বাসস): ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন। পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে অসাধারণ পারফরমেন্সে করেছেন তিনি। মাত্র ১টি গোল হজম করেছেন সিমোন।
কোয়ার্টার ফাইনালের বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় পেয়েছিল স্পেন। ঐ ম্যাচেই এবারের আসরে একমাত্র গোল হজম করেছেন তিনি। এবারের বিশ্বকাপে সিমনকে প্রথম গোল হজমের স্বাদ দেন বেলজিয়ামের শার্ল ডি কেটেলিয়ার।
সিমোনের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে বিশ্বকাপ ইতিহাসে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম গোল হজম করার রেকর্ডও গড়েছে স্পেন।
এছাড়া বিশ্বকাপে গোলরক্ষক হিসেবে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন সিমোন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৬৪৯ মিনিট গোল হজম না করার বিশ্ব রেকর্ডের মালিক হন তিনি। ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের পর এবারের আসরে বেলজিয়াম ম্যাচের আগ পর্যন্ত গোল হজম করেননি সিমোন।
এর আগে ফিফা বিশ্বকাপে দীর্ঘ সময় গোল হজম করতে না করার রেকর্ডটি ছিল ইতালির গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গার দখলে। টানা ৫১৭ মিনিট কোনো গোল হজম করেননি তিনি।
বিশ্বকাপে রেকর্ডের পাশাপাশি স্পেনের ফুটবল ইতিহাসেও নতুন কীর্তি গড়েছেন সিমোন। বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে সবচেয়ে বেশি সময় গোল হজম না করার রেকর্ড ছিলো কিংবদন্তি গোলরক্ষক ও সাবেক অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াসের। ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ মিলিয়ে টানা ৪৭৭ মিনিট গোল হজম করেননি ক্যাসিয়াস। এই বিশ্বকাপে ক্যাসিয়ারের রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন কীর্তি গড়েন সিমোন।
এবারের বিশ্বকাপে সাতটি ম্যাচে গোল হজম করেননি সিমোন। এমন দুর্দান্ত পারফরমেন্সের সুবাদে গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন সিমোন। ক্যাসিয়াসের পর স্পেনের দ্বিতীয় গোলরক্ষক হিসেবে গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন তিনি। ২০১০ সালে দলের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা রেখে গোল্ডেন গ্লাভস জিতেন ক্যাসিয়াস।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোল্ডেন গ্লাভস জয়ী গোলরক্ষক (১৯৯৪ সাল থেকে চালু হয় বিশ্বকাপ অ্যাওয়ার্ড) :
১৯৯৪ : মাইকেল প্রিউড'হোমে (বেলজিয়াম) ১৯৯৮ : ফ্যাবিয়ান বার্থেজ (ফ্রান্স) ২০০২ : ওলিভার কান (জার্মানি) ২০০৬ : জিয়ানলুইজি বুফন (ইতালি) ২০১০ : ইকার ক্যাসিয়াস (স্পেন) ২০১৪ : ম্যানুয়েল নয়্যার (জার্মানি) ২০১৮ : থিবো কোর্তোয়া (বেলজিয়াম) ২০২২ : এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা) ২০২৬ : উনাই সিমন (স্পেন)








