ঢাকা, ১৫ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি জয়ের জন্য বাংলাদেশকে ১৭১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রান করে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ৩০ বলে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। ৪ ওভারে ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন বাংলাদেশের নাহিদ রানা।
বুলাওয়ায়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। ব্যাট হাতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের উপর চড়াও হন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও টাদিওয়ানাশে মারুমানি। ২১ বলে ৩৭ রান তুলে দলকে ঝড়ো শুরু এনে দেন দু'জনে।
চতুর্থ ওভারে প্রথমবারের মত আক্রমণে এসেই জিম্বাবুয়ের উদ্বোধনী ভাঙ্গেন বাংলাদেশ পেসার নাহিদ রানা। ওভারের তৃতীয় বলে ডিপ স্কয়ার লেগে সাইফ হাসানকে ক্যাচ দেন মারুমানি। ২টি ছক্কায় ৯ বলে ১৪ রান করেন মারুমানি।
দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে জিম্বাবুয়ের রানের চাকা সচল রাখেন বেনেট ও ডিওন মায়ার্স। এতে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৫৪ রান পায় স্বাগতিকরা।
নবম ওভারে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন পেসার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ছক্কায় মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে বদলি ফিল্ডার রিশাদ হোসেনকে ক্যাচ দেন মায়ার্স। ২০ বলে ২০ রান করেন তিনি। বেনেটের সাথে ৩২ বলে ৩৮ রান যোগ করেন মায়ার্স।
দলের রান ১শ স্পর্শ করার আগে সাজঘরে ফিরেন বেনেট। হাফ-সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে রানার বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে তানজিদ হাসানকে ক্যাচ দেন তিনি। ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩০ বলে ৪৪ রান করেন বেনেট।
দলীয় ৯০ রানে বেনেটের বিদায়ের পর চতুর্থ উইকেটে ১৮ বলে ২৬ রানের জুটিতে জিম্বাবুয়ের রান ১শ পার করেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্ল। রাজাকে থামিয়ে জুটি ভাঙ্গেন সাইফুদ্দিন। লং অফে হৃদয়কে ক্যাচ দেন ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩ বলে ২০ রান করা রাজা।
দলীয় ১১৬ রানে রাজার ফেরার পর জোড়া উইকেট তুলে নেন রানা। ১৮তম ওভারে পরপর দুই বলে মিল্টন শুম্বাকে ১১ ও তাশিঙ্গা মুসেকিয়াকে খালি হাতে বিদায় দিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান রানা। কিন্তু সেটি রুখে দেন ব্রাড ইভান্স।
সপ্তম উইকেটে ১৫ বলে ৩১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জিম্বাবুয়েকে লড়াকু পুঁজি এনে দেন বার্ল ও ইভান্স। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রান করে জিম্বাবুয়ে।
২ চার ও ১ ছক্কায় ২৫ বলে অপরাজিত ৩০ রান করেন বার্ল। ৪ বাউন্ডারিতে ১০ বলে অনবদ্য ১৯ রান করেন ইভান্স।
৪ ওভারে ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার রানা। ৪ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটিই ক্যারিয়ার সেরা বোলিং রানার। এছাড়া সাইফুদ্দিন ৩৫ রানে ২ উইকেট শিকার করেন।








