ঢাকা, ২ জুন ২০২৬ (বাসস) : অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে (ডিপিএল) হ্যাটট্রিক জয়ের স্বাদ নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।
আজ লিগের অষ্টম রাউন্ডে মোহামেডান ১০৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে। এই জয়ে ৮ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে মোহামেডান। সমানসংখ্যক ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে আছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে মোহামেডান। উদ্বোধনী জুটিতে ৭০ বলে ৭৬ রান যোগ করেন মোহামেডানের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ও এনামুল হক। জুটিতে ৩৪ রান অবদান রেখে ফিরেন নাইম।
নাইম ফেরার পর হৃদয়ের সাথে ৪৯ রান যোগ করেন থামেন এনামুল। এসময় হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন তিনি। ৫টি করে চার-ছক্কায় ৬৩ বলে ৭১ রান করেন এনামুল।
দলীয় ১২৫ রানে এনামুল ফেরার পর মোহামেডানের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন হৃদয় ও আফিফ হোসেন। তৃতীয় উইকেটে ১৪০ রানের জুটি গড়েন তারা। ৩টি করে চার-ছক্কায় ৭০ রান নিয়ে মাঠ ছাড়েন আফিফ।
ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে হাসান মাহমুদের বলে আউট হ্বার আগে ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১০৬ বলে ১০১ রান করেন হৃদয়।
এছাড়া ইয়াসির আলির ৪ ছক্কা ও ১ চারে গড়া ১৪ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩৩৯ রানের বড় সংগ্রহ পায় মোহামেডান। মাহেদি হাসান ২ উইকেট নেন।
জবাবে ইনিংসের শুরু থেকে মোহামেডান বোলারদের উপর চড়াও হন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান। মাত্র ১৫ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে বাংলাদেশের লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড স্পর্শ করেন সোহান। গত মৌসুমে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ১৫ বলে অর্ধশতক করেছিলেন আবাহনী লিমিটেডের ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন।
ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি সোহান। মোহামেডানের স্পিনার তাইবুর রহমানের শিকার হবার আগে ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ২৭ বলে ৫৯ রান করেন সোহান। এই ইনিংস খেলার পথে মোহামেডান পেসার নাহিদ রানার এক ওভারে তিনটি ছক্কা ও দু'টি চারে ২৬ রান নেন সোহান। এছাড়াও আরেক পেসার তাসকিন আহমেদের ওভারে ২টি করে চার-ছক্কায় ২০ রান তুলেন তিনি।
১১তম ওভারে দলীয় ৯৩ রানে সোহান ফেরার পর লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের আর কোন ব্যাটার বড় ইনিংস খেলতে পারেনি। ফলে ৩৪ ওভারে ২৩২ রানে গুটিয়ে যায় তারা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন নাসুম আহমেদ।
মোহামেডানের রানা ৭১ রানে ৪টি ও তাইবুর ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন হৃদয়।








