ঢাকা, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ : ইরাকের সুলায়মানিয়াহতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ–ওয়ার্ল্ড র্যাঙ্কিং টুর্নামেন্ট, লেগ-২’এ বাংলাদেশের আরচ্যাররা ৩টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জপদক জয় করেছেন।
স্বর্ণ পদক এসেছে কম্পাউন্ড নারী দলগত, রিকার্ভ পুরুষ দলগত ও কম্পাউন্ড নারী এককে।
বাংলাদেশ রৌপ্য পদক জয় করেছেন কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত, কম্পাউন্ড মিক্সড দলগত, রিকার্ভ নারী ব্যক্তিগত ইভেন্টে। আর ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছেন কম্পাউন্ড নারী ও পুরুষ একক, রিকার্ভ নারী দলগত ও রিকার্ভ পুরুষ একক ইভেন্টে।
গতকাল কম্পাউন্ড নারী বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিল বাংলাদেশ। আজ কম্পাউন্ড নারী বিভাগে একক ইভেন্টে বন্যা আক্তার স্বর্ণ জেতেন। আর রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টে আসে আরেকটি স্বর্ণ।
কম্পাউন্ড নারী ব্যক্তিগত ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতেছেন বাংলাদেশের আর্চার বন্যা আক্তার। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী কাজাখস্তানের মিলানা বুরলেভাকে ১৪৫-১৪৩ পয়েন্টে পরাজিত করে এই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন তিনি।
বন্যা আক্তারের এই জয় আন্তর্জাতিক আর্চারিতে বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবময় অর্জন। প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ফাইনালে শেষ পর্যন্ত স্নায়ুচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে নিখুঁত লক্ষ্যভেদের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করেন তিনি। তাঁর এই সাফল্যে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হয়েছে।
ফাইনালের প্রথম এন্ডে বাংলাদেশ ও কাজাখস্তান- দুই দেশের আর্চারই ২৮ পয়েন্ট করে অর্জন করেন। দ্বিতীয় এন্ডে বন্যা ২৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে মোট ৫৭ পয়েন্টে পৌঁছান, যেখানে তাঁর প্রতিপক্ষের সংগ্রহ ছিল ৫৬ পয়েন্ট।
তৃতীয় এন্ড শেষে বন্যা ৮৬-৮৫ পয়েন্টে এক পয়েন্টের ব্যবধান ধরে রাখেন। চতুর্থ এন্ডেও দুজনই ২৯ পয়েন্ট করে অর্জন করায় ব্যবধান অপরিবর্তিত থাকে। ফলে চতুর্থ এন্ড শেষে বন্যা ১১৫ পয়েন্ট এবং মিলানা বুরলেভা ১১৪ পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই চালিয়ে যান।
ফাইনালের শেষ এন্ডে বন্যা তিনটি শটেই ১০ পয়েন্ট করে অর্জন করে পূর্ণ ৩০ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন। অন্যদিকে মিলানা বুরলেভা শেষ এন্ডে ২৯ পয়েন্ট অর্জন করেন। এর মাধ্যমে বন্যা ১৪৫-১৪৩ পয়েন্টে জয় নিশ্চিত করে স্বর্ণপদক অর্জন করেন।
এর আগে রিকার্ভ পুরুষ দলীয় ইভেন্টে স্বর্ণপদক অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ফাইনালে কাজাখস্তানকে ৬-২ সেট পয়েন্টে পরাজিত করে গৌরবময় এই সাফল্য অর্জন করেন বাংলাদেশের আর্চাররা।
বাংলাদেশ দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন আব্দুর রহমান আলিফ, মো: সাগর ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল মোহাম্মদ রাফি।







