যশোর, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
১৯৪৬ সালের ১৬ নভেম্বর যশোর শহরে জন্ম নেওয়া তরিকুল ইসলাম যশোর জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন ও এমএম কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্সসহ ১৯৬৯ সালে এমএ ডিগ্রি নেন। ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ১৯৬৩-৬৪ শিক্ষাবর্ষে এমএম কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৬৬ সালে কারাভোগ করেন। ১৯৬৮ সালে আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে রাজবন্দি হিসেবে নয় মাস যশোর ও রাজশাহী কারাগারে ছিলেন। ১৯৭০ সালে মওলানা ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৭৩ সালে যশোর পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ও ১৯৭৮ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৬ সালে দলটির যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি বিএনপির প্রথম আহ্বায়ক কমিটির ৭৬ সদস্যের একজন ও যশোর জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক ছিলেন।
১৯৯১ সালের পঞ্চম এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, খাদ্য, তথ্য এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
তার স্ত্রী অধ্যাপক নার্গিস বেগম বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বড় ছেলে শান্তনু ইসলাম সুমিত দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার প্রকাশক। ছোট ছেলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।








