উল্টো পথে গাড়ি চলার ঘটনাটি নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, সেটি নিয়ে কিছু বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ঘটনার সময় আমি গাড়িতে আমার এপিএসের সঙ্গে সম্পূর্ণ দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলাম এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পর্যালোচনা করছিলাম। একই সময়ে সামনে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বহর যাচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রীর প্রোটোকল থেকে আমাদের চালককে একটি সংকেত দেওয়া হলে চালক সম্ভবত সেটি ভুলভাবে বুঝে সাময়িকভাবে ভুল পথে গাড়ি নিয়ে যায়। এটি ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত একটি ভুল এবং এটি আমার কোনো নির্দেশে, সম্মতিতে বা জ্ঞাতসারে ঘটেনি। আমরা গাড়ির ভেতরে দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের নজরেও আসেনি। আইন অনুযায়ী চালকের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু একজন মন্ত্রী হিসেবে আমার নির্দেশ বা সম্মতি ছাড়াই চালকের একটি অনিচ্ছাকৃত ভুলকে মন্ত্রীর বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা ট্রাফিক আইন অমান্যের ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমি কখনোই ট্রাফিক আইন ভঙ্গের নির্দেশ দিইনি এবং ভবিষ্যতেও দেব না। আইন মেনে চলা এবং দায়িত্বশীল আচরণের বিষয়ে আমি নিজে যেমন সচেতন, আমার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী সবাইকেও সে বিষয়ে সচেতন থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইন সবার জন্য সমান; উল্টো পথে গাড়ি, জরিমানা প্রসঙ্গে মন্ত্রী
উল্টো পথে গাড়ি চলার ঘটনাকে অনিচ্ছাকৃত ভুল হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনার সময় তিনি এপিএসের সঙ্গে দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং গাড়িচালকের ভুলটি তাঁর নির্দেশ, সম্মতি বা জ্ঞাতসারে ঘটেনি। তবে আইন অনুযায়ী চালকের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থায় তাঁর কোনো আপত্তি নেই।







