ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরকে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী শক্তির ষড়যন্ত্রের সূচনা হিসাবে আখ্যায়িত করে ন্যাপ মহাসচিব ও ‘ভয়েস অব কনসাস সিটিজেন’ (ভিসিসি)’র চেয়ারম্যান এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেছেন, ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার নৃশংস হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়েই দেশবিরোধী-গণতন্ত্র বিরোধী অপশক্তি দেশবাসীর কাঁধে চেপে বসেছিলো।
তিনি আরও বলেন, ‘সেই হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে সংগঠিত ১/১১ ছিল সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত খেলা। আর গত ১৭ বছরের সরকার ছিল সেই ষড়যন্ত্রেরই ফসল।’
আজ সকালে রাজধানীর পল্টনে ন্যাপের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘২৮ অক্টোবর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও লগি-বৈঠা’ স্মরণে ভয়েস অব কনসাস সিটিজেন আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে রাজনীতিশূন্য করতে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করতেই ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বর্বরোচিত হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছিল। ৫ আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ২৮ অক্টোবরের হত্যাকান্ডের বিচার না হয়, তাহলে হলে মানবতা-মানবাধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ২৮ অক্টোবর বর্বরোচিত হত্যাকান্ড ঘটিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতাকে গলা টিপে যারা হত্যা করেছিল ইতিহাস তাদের ক্ষমা করে নাই, ভবিষ্যতেও করবে না। এরপর ২০০৮-এর ২৯ ডিসেম্বরের ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের কাঁধে এক অশুভ শক্তি ভর করেছিল, যাকে উৎখাত করতে জাতিকে দীর্ঘ আন্দোলন ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, এই দিনটি ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায় রচিত হয়েছিল। সেদিন যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছিল তারা মানবতার শত্রু, সভ্যতার শত্রু।
গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তাদের জায়গা এদেশের মাটিতে আর হবে না। ৫ আগস্টের চেতনাকে কোনোভাবে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।
এ আলোচনায় আরও অংশগ্রহন করেন- এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব মিতা রহমান, ভিসিসি ভাইস চেয়ারম্যান আকবর মোহাম্মদ, আলী আজম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন, খাদেমুল ইসলামসহ আরও অনেকে।







