১৫ জুন ২০২৬
ঢাকা: ...
জ্বালানি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

BSSঢাকা

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মোট ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মোট ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। এ হিসেবে নতুন অর্থবছরের জন্য ৩৯৩ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পিতবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব করেন।

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত এবং উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শিল্পোৎপাদনসহ প্রায় সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান চালিকাশক্তি হলো নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ। ফ্যাসিবাদী সরকারের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতি এবং এ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিদ্যুৎ খাতে হরিলুট ও অর্থ পাচার হয়েছে।

তিনি বলেন, এ সময়ে সম্পাদিত বেশ কিছু মেগা প্রকল্পে একতরফা ও বিতর্কিত শর্ত যুক্ত থাকায় বিদ্যুৎ আমদানি ও ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা আমাদের ওপর চেপে বসেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতি মাত্রায় নির্ভরতাও এ খাতে ব্যয় বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের পার্থক্যের কারণে চলতি অর্থবছরে এ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বর্তমানে দেশের স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট (আমদানি ও অন-গ্রিড নবায়নযোগ্যসহ) হলেও নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনো নিশ্চিত হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধপূর্বক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থাগ্রহণসহ নিবিড় মনিটরিং করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বা 'লিস্ট কস্ট জেনারেশন' পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জ ও বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি পর্যালোচনার মাধ্যমে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্কের পরিপূর্ণ আধুনিকায়ন এবং স্মার্ট গ্রিড উন্নয়নের মাধ্যমে সিস্টেম লস কমিয়ে সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো হবে। দুর্গম ও দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুতায়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতের ট্যারিফ যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র পদ্ধতিতে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে বিতরণ লাইন ও সাবস্টেশনসমূহ ভূগর্ভস্থ করার কাজ চলমান রয়েছে। এসসিএডিএ, জিআইএস, এএমআই ইন্টিগ্রেশনসহ সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বোত্তম জ্বালানি মিশ্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাওয়ার সেক্টর স্ট্র্যাটেজি পেপার (২০২৬-২০৫০)-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। গ্রাহক সেবা সহজতর করতে নতুন সংযোগ ও বিল পরিশোধের পুরো প্রক্রিয়াকে অটোমেশনের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৪০ শতাংশের বেশি গ্যাসভিত্তিক। স্থানীয় গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ায় বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং দেশীয় উৎসসমূহের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানির নির্ভরতা কমিয়ে আনা হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির যন্ত্রাংশ, যেমন- সোলার, উইন্ড এবং ব্যাটারি প্ল্যান্ট দেশে উৎপাদনে বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা ও প্রণোদনা প্রদান করা হবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ২০৫০ সালের মধ্যে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে রুফটপ সোলার কার্যক্রম জোরদারকরণ, উপকূলীয় ও নিকটবর্তী অঞ্চলসমূহে বায়ু বিদ্যুৎ সমীক্ষা বাস্তবায়ন, বৃহৎ ইউটিলিটি স্কেল সৌর প্রকল্প বাস্তবায়ন, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত সার্ভে, সমীক্ষা, পাইলট ও বাণিজ্যিক প্রকল্প বাস্তবায়ন, জাতীয় এনার্জি স্টোরেজ রোডম্যাপ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং গ্রিড ফ্লেক্সিবিলিটি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। জ্বালানি-দক্ষ যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং মনোনীত ভোক্তা শিল্পপ্রতিষ্ঠানে জ্বালানির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের লক্ষ্যে জ্বালানি নিরীক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ ও মানসম্মত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পাশাপাশি সঞ্চালন লাইন ২৫ হাজার সার্কিট কিলোমিটারে সম্প্রসারণে কাজ করছে।

তিনি বলেন, ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে একটি চুল্লিতে ফুয়েল রড প্রবেশ করানো হয়েছে, যা থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট নাগাদ ৩০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারি নাগাদ ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। সামগ্রিকভাবে স্বনির্ভর, সাশ্রয়ী, নিরবচ্ছিন্ন, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাতে দীর্ঘস্থায়ী ভুল নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও আমদানি নির্ভরতা এ খাতকে গভীর সংকটে ফেলেছে। অতীতে শুধু তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও জ্বালানি তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছিল। দেশের নিজস্ব স্থলভাগ ও বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধান, জ্বালানি তেল রিফাইনিং ও মজুদ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যথেষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক সংকটের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল (ডিজেল) ও এলএনজি'র স্পট মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণ জনগণের কষ্ট বিবেচনায় সরকার জ্বালানি খাতে বিপুল ভর্তুকি দিয়েছে এবং জ্বালানি তেলের মূল্য সামান্য সমন্বয় করেছে। গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার, উৎপাদন বৃদ্ধি, রিফাইনিং সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং আমদানি উৎস বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। জ্বালানির কৌশলগত মজুদ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। দেশে ও সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-এর মাধ্যমে ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৭-২৮ পর্যন্ত সময়ে ২৭০ কিলোমিটার ভূতাত্ত্বিক জরিপ, ৭০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক জরিপ এবং ৭০০ বর্গ কিলোমিটার ৩ডি সিসমিক জরিপ কার্যক্রম সম্পন্নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বাপেক্সের নিজস্ব রিগ দিয়ে ৬৯টি কূপ খনন ও ৩১টি কূপের ওয়ার্কওভার সম্পন্নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি বলেন, সমুদ্রাঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন করে 'বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড' ঘোষণা করা হয়েছে। অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন আকর্ষণীয় করতে আন্তর্জাতিক কোম্পানির অংশগ্রহণ নিশ্চিতের লক্ষ্যে মডেল প্রডাকশন শেয়ারিং কনট্রাক্ট (পিএসসি) সংশোধন করা হয়েছে। অগভীর সমুদ্রে ৯টি ও গভীর সমুদ্রে ১৫টি ব্লক আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া জ্বালানি অনুসন্ধান সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাপেক্সের জন্য দুটি নতুন অনুসন্ধান রিগ ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার 'ক্রিটিক্যাল মিনারেল এক্সপ্লোরেশন' উদ্যোগের মাধ্যমে অফশোর গ্যাস ও আনকনভেনশনাল হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানে গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যয় সাশ্রয়ী ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জরুরি পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে কৌশলগত জ্বালানি মজুদ (এসইআর) ও সংরক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নের কার্যক্রম চলছে। মহেশখালীতে বিদ্যমান দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের পাশাপাশি নতুন টার্মিনাল স্থাপনের বিষয় পর্যালোচনায় রয়েছে। মাতারবাড়িতে ল্যান্ড-বেজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি পরিবহনে ৬০১ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পাইপলাইনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বা উপকূলীয় শিল্পাঞ্চলে ৫০ লাখ মেট্রিক টন সক্ষমতার নতুন ক্রুড অয়েল রিফাইনারি স্থাপনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩০ লাখ মেট্রিক টন সক্ষমতার দ্বিতীয় ইস্টার্ন রিফাইনারি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ২ হাজার ৭২২টি ট্যাংকলরিতে স্মার্ট ফুয়েল ডিস্ট্রিবিউশন মনিটরিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। দেশের খনিজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬ লাখ মেট্রিক টন কয়লা ও ১৪ লাখ মেট্রিক টন পাথর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কয়লা উত্তোলনে বড়পুকুরিয়া দ্বিতীয় ফেইজ ও দিঘীপাড়া কোল ফিল্ড প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। যমুনা ও মেঘনা নদীর বালিতে জিরকন ও মোনাজাইটের মতো মূল্যবান খনিজের অর্থনৈতিক মূল্যায়ন এবং বিস্ফোরক পরিদপ্তরের সেবাসমূহের ডিজিটাল রূপান্তরের কাজ চলছে।

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করতে অনুগ্রহ করে সাইন ইন করুন

loading

সম্পর্কিত নিবন্ধ

পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি উৎপাদনে শুল্ক-কর ছাড়

পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি উৎপাদনে শুল্ক-কর ছাড়

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : দেশে পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি শিল্পের বিকাশ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে লিথিয়াম-আয়ন, সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল এবং উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি সুবিধার প্রস্তাব করা হয়েছে।

6/11/2026

২০৩৫ সাল পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ খাতে শূন্য শতাংশ কর হার প্রস্তাব

২০৩৫ সাল পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ খাতে শূন্য শতাংশ কর হার প্রস্তাব

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস): পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী ও টেকসই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ খাতে শূন্য শতাংশ কর হার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ বিল পরিশোধের বিপরীতে ব্যবহারকারীদের জন্য ৫ শতাংশ কর রেয়াত সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

6/11/2026

জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন করতে কৌশলগত মজুত ব্যবস্থা গড়ে তুলবে সরকার

জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন করতে কৌশলগত মজুত ব্যবস্থা গড়ে তুলবে সরকার

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে কৌশলগত জ্বালানি মজুত ও সংরক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেই সঙ্গে জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যয় সাশ্রয়ী ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

6/11/2026

সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ

সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস): অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে অপরিকল্পিতভাবে গ্রহণ করা অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বা 'লিস্ট কস্ট জেনারেশন' পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

6/11/2026

২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করবে সরকার

২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করবে সরকার

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস): ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করবে সরকার। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ২৫ হাজার সার্কিট কিলোমিটারে সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

6/11/2026

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুত উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুত উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস): নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। পাশাপাশি ২০৫০ সালের মধ্যে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

6/11/2026

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও আইনানুগ অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সরকারের ওপর জনগণের পূর্ণ ম্যান্ডেট রয়েছে।

5/4/2026

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

3/5/2026