১৮ জুলাই ২০২৬
ঢাকা: ...
রাজনীতি

রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী

Md. Ibrahim Mollahঢাকা

প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো জনগণের বিশ্বাস। তাই দেশ ও জনগণের কল্যাণে নির্ভয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন।

রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো জনগণের বিশ্বাস। তাই দেশ ও জনগণের কল্যাণে নির্ভয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন।
তিনি বলেন, সরকার এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনমনে ধীরে ধীরে বিশ্বাস গড়ে উঠে। এই ব্যাপারেও আপনারা যত্নবান থাকবেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
আজ বুধবার রাতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের যেকোনো আইনগত ও মানবিক উদ্যোগে সরকার সহায়তা দেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশাসন শুধু আইন প্রয়োগের যন্ত্র নয়, এটি মানুষের সেবার একটি মাধ্যম। আমি একটি বিষয় গভীরভাবে বিশ্বাস করি- আমাদের সমস্যা অসংখ্য, তবে সম্ভাবনাও কম নয়। আমাদের দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড যেটি আছে, এর সুযোগ নিয়ে আমরা যদি তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারি, তাহলে এই জনসংখ্যা জনসম্পদে পরিণত হবে। বিশ্বাস রাখুন, এরাই বদলে দিতে পারবে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশকে।
জনপ্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের প্রশাসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন যথাসম্ভব মানুষের উপকার করার মানসিকতা নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাই। রাষ্ট্র ও সমাজের ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে জাগিয়ে রাখতে আমাদেরকে সম্ভাব্য সকল উপায় বের করা প্রয়োজন। আমাদেরকে পারিবারিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি সবাই একটা ছোট্ট বিষয় মনে রাখি, সেটি হলো- একটি রাষ্ট্রের খুবই ক্ষুদ্র ইউনিট একটি পরিবার। একইভাবে অনেকগুলো, লক্ষ কোটি পরিবারের সম্মেলনই হলো আমাদের এই রাষ্ট্র। সুতরাং পরিবারগুলো ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত থাকলে রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধ সুসংহত হয়।
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনে কেন্দ্রে ডিসি সম্মেলন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের এই বার্ষিক সম্মেলন হয়। এতে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের পরিবারও অংশ নেয়।
গত ৩ মে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জেলা প্রশাসকদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং জেলা প্রশাসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
এছাড়া ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।
জেলা প্রশাসক সম্মেলনের সমাপনীতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পুনর্মিলনীর এই অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, তিন বাহিনী প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয়। বক্তব্যের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের চার দিনের সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে আপনারা প্রায় প্রত্যেকেই আগামীকাল যার যার কর্মস্থলে ফিরে যাবেন এবং যথারীতি কাজ শুরু করবেন। এই চার দিনের সম্মেলনে আপনারা একদিকে প্রশাসনিক বিষয়গুলো সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য পেয়েছেন। অপরদিকে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচিগুলো সম্পর্কে হাতে কলমে অবগত হয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে আমরা দলীয়ভাবে যে সকল ইশতেহার প্রণয়ন করেছিলাম, সেই ইশতেহারে দেশের জনগণ সমর্থন জানিয়েছেন। সুতরাং এটি এখন আর বিএনপির দলীয় ইশতেহার নয়, বরং এটি এখন দেশের জনগণের ইশতেহার। এটি এখন জনগণের জন্য সরকারের ইশতেহার।
ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন ইশতেহার বাস্তবায়নের পালা। জনস্বার্থে নেওয়া সরকারের কাজগুলো বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব জনপ্রশাসনের ওপর বর্তায়। সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের সাফল্য শেষ পর্যন্ত সরকারের সাফল্য হয়ে দাঁড়ায়। আমি বলি, জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাগণ বিশেষ করে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ হচ্ছেন মাঠ পর্যায়ে সরকারের প্রশাসনিক অ্যাম্বাসেডর।
বর্তমান সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের সকল যৌক্তিক প্রত্যাশা সাধ্যমত পূরণ করতে বদ্ধপরিকর। এটি জনগণের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার। আমরা কথায় কথায় বলি, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক। জনগণ যদি সত্যিই রাষ্ট্রের মালিক হয়, তাহলে এই মালিকরা যখন অফিস আদালতে তাদের সমস্যা নিয়ে যান, তারা যেন আপনাদের সেবায় কিছুটা হলেও রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন। সেটি নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্বের অংশ বলে আমি মনে করি।
তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সাথে আন্তরিক ব্যবহার করলে তা সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে বৃদ্ধি করে। আর যদি হয়রানির শিকার হন, তাহলে তিনি শুধু একটি সেবা থেকেই বঞ্চিত হন না, বরং একইসাথে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতি তার শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস নষ্ট হয়। সুতরাং রাষ্ট্র ও সরকারের সঙ্গে জনগণের আস্থা তৈরির ক্ষেত্রে আপনাদের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জনপ্রশাসনকে জনমুখী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকার প্রধান বলেন, প্রশাসনকে জনমুখী করে গড়ে তুলতেই হবে আমাদের। সেই কাজটি আপনাদের ভূমিকার ওপর পুরোপুরি নির্ভর করে বলা যায়। আমাদের সরকার এমন একটি জনমুখী সরকার, যেখানে সরকারি দপ্তরে সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া সম্মানের সাথে দ্রুত সেবা পাবেন। এ বিষয়টি আপনারা নিশ্চিত করতে পারেন।
তিনি বলেন, আইন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মানবিকতাও আরো বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। একজন বৃদ্ধ কিংবা অসুস্থ মানুষ যখন আপনাদের অফিসের সামনে কিংবা সেবার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন, তখন তাদের বিষয়গুলো আইনগত উপায়ে সমাধানের পাশাপাশি তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করাও খুব জরুরি। সেবাগ্রহীতার প্রতি আপনাদের আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা তাদের কাছে রাষ্ট্র ও সরকারের ব্যবস্থা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা জন্ম দেয়। হয়তো এই বিষয়গুলো আমাদের অনেকের কাছে ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু জনমনের প্রভাব অনেক বেশি। ভবিষ্যতে এসব বিষয়ের প্রতি আরো মনোযোগী এবং যত্নবান থাকার জন্য আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে সচিবালয়ের অফিস থেকে আগারগাঁও শেরে বাংলা নগরে ‘বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে’ বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অনুষ্ঠানে গিয়ে যোগ দেন। এ সময় গাড়িতে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করতে অনুগ্রহ করে সাইন ইন করুন

loading

সম্পর্কিত নিবন্ধ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বলেছেন, ‘সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যে যার অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’

7/16/2026

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর ৩টি শোকবার্তা একসাথে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর ৩টি শোকবার্তা একসাথে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর ৩টি শোকবার্তা একসাথে। ১। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর শোকবার্তা নোয়াখালী জেলাধীন হাতিয়া উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি মাছউদুর রহমান বাবর এর মাতা বেগম সামছুন নাহার বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। সামছুন নাহার এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছ...

7/16/2026

কুমিল্লা মহানগর বিএনপি’র পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে

কুমিল্লা মহানগর বিএনপি’র পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে

উদবাতুল বারী আবু-কে সভাপতি ও মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপু-কে সাধারণ সম্পাদক করে আজ কুমিল্লা মহানগর বিএনপি’র ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। কুমিল্লা মহানগর বিএনপি’র এই পূর্নাঙ্গ নির্বাহী কমিটি এখন থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নিম্নে পূর্ণাঙ্গ কমিটি উল্লেখ করা হলো ঃ- কুমিল্লা মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা মন্ডলী ক্র: নং পদবী নাম ১. উপদেষ্টা বেগম রাবেয়া চৌধুরী ২. উপদেষ্টা ফজলুল...

7/15/2026

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর বাণী

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর বাণী

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর বাণী ১৬ জুলাই। ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস। শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং দেশে সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সারাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক...

7/15/2026

কাতারের সাবেক আমিরের স্মরণে রাজধানীতে সড়কের নামকরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কাতারের সাবেক আমিরের স্মরণে রাজধানীতে সড়কের নামকরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির স্মরণে রাজধানীর একটি উপযুক্ত সড়কের নামকরণের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।

7/15/2026

স্বাধীনের পরে প্রকৃত শহীদ এবং মুক্তিযোদ্ধার সঠিক তালিকা প্রণয়নে রাজনীতিকরণ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনের পরে প্রকৃত শহীদ এবং মুক্তিযোদ্ধার সঠিক তালিকা প্রণয়নে রাজনীতিকরণ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশ স্বাধীনের পরে প্রকৃত শহীদ এবং মুক্তিযোদ্ধার সঠিক তালিকা প্রণয়ন যাদের দায়িত্ব ছিল তারা সেটাকে রাজনীতিকরণ করেছে।’

7/15/2026

শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান শিক্ষকদের প্রতি শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

7/15/2026

দুঃসময়ের সহযোদ্ধাদের সুসময়েও পাশে রাখুন: মন্ত্রী-এমপিদের প্রতি আহ্বান

দুঃসময়ের সহযোদ্ধাদের সুসময়েও পাশে রাখুন: মন্ত্রী-এমপিদের প্রতি আহ্বান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অসংখ্য ত্যাগী নেতাকর্মী বছরের পর বছর কারাবরণ করেছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, মামলা হামলার বোঝা কাঁধে নিয়ে রাজপথ ছাড়েননি। পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন থেকেও তাঁরা দলের পতাকা আঁকড়ে রেখেছেন। কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, গণতন্ত্র, জনগণ এবং প্রিয় দলকে ভালোবেসেই তাঁরা এই ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

7/14/2026