আজ আমি কোনো পদ-পদবীর কথা বলতে চাই না; বলতে চাই সেই মানুষগুলোর কথা, যাদের ত্যাগ, রক্ত, অশ্রু আর সীমাহীন ধৈর্যের ওপর দাঁড়িয়ে আজকের এই অর্জন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অসংখ্য ত্যাগী নেতাকর্মী বছরের পর বছর কারাবরণ করেছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, মামলা হামলার বোঝা কাঁধে নিয়ে রাজপথ ছাড়েননি। পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন থেকেও তাঁরা দলের পতাকা আঁকড়ে রেখেছেন। কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, গণতন্ত্র, জনগণ এবং প্রিয় দলকে ভালোবেসেই তাঁরা এই ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
তাই আজ আমি দলের সম্মানিত মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং সকল দায়িত্বশীলগনের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাই , দয়া করে তৃণমূলকে ভুলে যাবেন না। যাঁরা দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, সুসময়েও তাঁদের পাশে রাখুন। তাঁদের সম্মান দিন, তাঁদের কথা শুনুন, তাঁদের মূল্যায়ন করুন। কারণ যে শিকড় শক্ত থাকে, সেই বৃক্ষই ঝড়-ঝঞ্ঝা মোকাবিলা করে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
আমরা বিশ্বাস করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী, জনকল্যাণমুখী ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। আর সেই বাংলাদেশ নির্মাণে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবদান ও মর্যাদা অবশ্যই যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
আমার প্রিয় সহযোদ্ধারা, যারা দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন, যারা ভয়কে জয় করে দলের পতাকা বহন করেছেন আপনারা কখনো হতাশ হবেন না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। আপনারা বিএনপির প্রাণ, আপনারাই এই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি” আমি যেমন আমার দল ও সরকারের সাফল্যের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব, তেমনি তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ন্যায্য সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নেও সবসময় সোচ্চার থাকব। আমার অবস্থান ক্ষমতার পাশে নয়, ন্যায়ের পাশে; পদ-পদবীর পাশে নয়, ত্যাগের পাশে; সুবিধার পাশে নয়, আদর্শের পাশে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখুন, দলের প্রতিটি ত্যাগী কর্মীর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখুন এবং বাংলাদেশকে শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেওয়ার তাওফিক দান করুন।
**এইচ এম সাইফ আলী খান ** তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহসম্পাদক জাতীয় নির্বাহী কমিটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপি








