১৮ জুলাই ২০২৬
ঢাকা: ...
কৃষি

কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী

Md. Ibrahim Mollahঢাকা

প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে।

কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে, কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সেইজন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।’
দেশের ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেয়ার মাধ্যমে সারাদেশে প্রি-পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বেলা ১২টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই অবগত হয়েছেন যে, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষকের কাছে সরাসরি ১০টি সুবিধা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব ইনশআল্লাহ। ১০টি সুবিধার মাধ্যমে কৃষক তার অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।’

বিএনপির চেয়ারম্যান দলের নির্বাচনি ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই মঞ্চে যত মানুষ উপস্থিত আছেন হয়তো সবাই সরাসরিভাবে কৃষক বা কৃষির সাথে সম্পৃক্ত নন। কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছেন, যে মানুষটি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশে আমরা যত মানুষ আছি তার মধ্যে চার কোটি পরিবার আছে তাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত অর্থাৎ এই দেশের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে, বর্তমান নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে যে, এই দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এই দেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, এই দেশের কৃষক যদি ভালো থাকে তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লক্ষ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবে।
ঢাকা থেকে থেকে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম আসেন। বেলা ১২ টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন প্ল্যাসের সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। টাঙ্গাইলে ১৪শ’ ৫৩ জন কৃষক-কৃষাণীরা এই অর্থ পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড এবং গাছের চারা তুলে দেন। তিনি কৃষক-কৃষাণীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এই যে গাছের চারা দিচ্ছি, তা বড় হলে ফল কিন্তু আমার জন্য পাঠাবেন।’
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে কৃষক ও কৃষি ক্ষেত্রে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যার মাধ্যমে আমরা দেখেছিলাম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষিতে মোটামুটিভাবে শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। আমরা দেখেছি দেশে ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিল। সেই বাংলাদেশে আমরা দেখেছি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুধুমাত্র খাল খনন করার ফলে, কৃষক সেচ সুবিধা পাওয়ার ফলে কৃষির উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছিল। সেই সময় এই বাংলাদেশ থেকে অল্প পরিমাণে হলেও বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছিল।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যতবার দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, বিএনপি সরকার কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। আপনারা বিএনপির ওপরে বিগত নির্বাচনে আস্থা রেখেছেন ইনশাআল্লাহ এই সরকার আপনাদের সেই আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দেবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, এখন আমাদের দেশ গড়ার সময়। কৃষক ভাইদের পাশে আমরা যেমন দাঁড়াবো, একই সাথে দেশের কৃষাণী বোনসহ দেশের যে নারী সমাজ আছেন তাদের পাশে দাঁড়াবো।’
দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নারী সমাজকে যদি আমরা স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না। সেই কারণেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই তাহলে বাংলাদেশের মা-বোনদের জন্য, নারীদের জন্য, পরিবারের নারী প্রধানের জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করবো। আল্লাহর রহমতে সেই কাজটি পাইলট প্রজেক্ট আকারে আমরা শুরু করতে সক্ষম হয়েছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে আগামী পাঁচ বছরের ভিতরে আমরা পরিবারের সকল নারী প্রধানের কাছে এই কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। এই সরকার কৃষক বলুন, দেশের মা-বোনদের কথা বলুন, মসজিদের ইমাম-খতিব সাহেব সহ অন্যান্য ধর্মীয় গুরু যারা আছেন তাদের কথা বলুন, ছাত্রদের কথা বলুন, দল-শ্রেণী-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে।’

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। সেজন্যই আমরা বলে থাকি, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আসুন আমরা এই দেশের প্রত্যেকটি নাগরিক আমরা রাজনীতি করি বা না করি, আমরা কৃষক হই বা না হই, আমরা ছাত্র হই না হই, আমরা ব্যবসায়ী হই বা না হই, যে মানুষই হয়ে থাকি না কেন, যে পেশার মানুষ হয়ে থাকি না কেন, প্রত্যেকের আমাদের একটি আকাঙ্ক্ষা আছে... নিজের দেশটিকে আমরা ভালো দেখতে চাই। নিজের দেশটিকে আমরা সুন্দর দেখতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘আমরার দেখতে চাই দেশের মানুষ নিরাপদে বসবাস করছে। এই দেশের সন্তানেরা এদেশেই বড় হচ্ছে ,স্বাচ্ছন্দে বড় হচ্ছে, খেয়ে পড়ে, ব্যবসা বাণিজ্য, চাকরি বাকরি করে নিরাপদ ও নিরাপত্তার সাথে বড় হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য সেটাই। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। কিন্তু সেই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব একমাত্র যদি জনগণের সহযোগিতা থাকে। সেজন্যই আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে চলতে চাই, জনগণকে পাশে রেখে চলতে চাই, জনগণকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই, দেশ গঠন করতে চাই।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এই কৃষক কার্ড উদ্বোধন করার মাধ্যমে আবারো আমি বাংলাদেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘এই যে পহেলা বৈশাখ আজকের এই অনুষ্ঠানটি, পহেলা বৈশাখ কিভাবে আসল নিশ্চয়ই অনেকেরই আপনাদের ধারণা আছে। যদিও বর্তমানে এটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখটি আসলে আমাদের এই বাংলাদেশের কৃষকদের সাথে সম্পৃক্ত। কৃষির ক্ষেত্রে হোক, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে হোক, কৃষকরা তাদের হিসাবের খাতাটি নতুন করে পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করেন। সেখান থেকে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানটি এসেছে। যেহেতু পহেলা বৈশাখের মূল বিষয়টি আমাদের কৃষক ভাইদের সাথে জড়িত, কৃষাণী বোনদের সাথে জড়িত- সেজন্যই আমরা কৃষক কার্ড প্রদানের এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা করলাম।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের জন্য ইতিমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।
কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণ ও কৃষকদের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশেষ করে উত্তর অঞ্চল সহ বাংলাদেশের যেসব অঞ্চল কৃষি নির্ভরশীল এলাকা সেই সকল অঞ্চলে কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব, কৃষাণী বোনদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব, আমরা কৃষিতে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করব। একই সাথে আমাদের চেষ্টা থাকবে যে শুধু কৃষি পণ্য উৎপাদন করলেই চলবে না, সেই সকল অঞ্চলে কিভাবে কৃষি পণ্যের সাথে সম্পৃক্ত যে সব কল কারখানা আছে সেগুলোও যাতে প্রতিষ্ঠিত করা যায় তার ব্যবস্থা নিতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, কৃষক যাতে তার পণ্যের মূল্য আরো বেশি পেতে পারে, যাতে করে আমাদের কৃষিজাত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করতে পারি সেই জন্য আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
তিনি বলেন, ‘আপনারা গতকাল খবরে দেখেছেন— গতকাল বাংলাদেশের যে সকল ব্যবসায়ী এই কৃষিজাত পণ্যের ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত, যাদের কৃষিজাত পণ্যের কলকারখানা আছে, তাদের সাথে প্রায় চার ঘণ্টা বৈঠক করেছি। তাদের সমস্যার কথা শুনেছি এবং অনেকগুলো সমাধানের চেষ্টা আমরা করেছি। যাতে করে তারা আরো বেশি বিনিয়োগ করতে পারে, আরো বেশি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে পারে, আরো বেশি কৃষি পণ্য কৃষক ভাইদের কাছ থেকে কিনতে পারে এবং সেই সকল পণ্যকে তারা বিদেশে রপ্তানি করতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, তাতে একদিকে যেমন কৃষক ভাইদের সুবিধা হবে, একইভাবে দেশের জন্য আমরা মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক ভাইদের অনেক সমস্যা আছে। যেমন, টাঙ্গাইলের আনারস বিখ্যাত। এই আনারসের প্রচুর ফলন। কিন্তু, এই আনারসকে আমরা প্রিজার্ভ করে রাখতে পারি না।
তিনি বলেন, আনারসটা সিজনের পরেও যাতে আমরা রাখতে পারি। কোল্ড স্টোরেজ বা সেরকম প্রক্রিয়াজাত করার কিছু নেই এরকম অনেক পণ্য আছে বাংলাদেশে, সেগুলোকে আমরা যদি প্রক্রিয়াজাত করে রাখতে পারি, কোল্ড স্টোরেজ করে রাখতে পারি— তাহলে কৃষক ভাইয়েরা লাভবান হবেন।
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত সচিব সেলিম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি, কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ বক্তব্য রাখেন।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করতে অনুগ্রহ করে সাইন ইন করুন

loading

সম্পর্কিত নিবন্ধ

কৃষিকে টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

কৃষিকে টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে সনাতনী ও শ্রমনির্ভর ব্যবস্থা থেকে বের করে গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে একটি প্রযুক্তি নির্ভর, লাভজনক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

7/8/2026

৫৫ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল দেবে সরকার

৫৫ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল দেবে সরকার

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : খাদ্য নিরাপত্তায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় স্বল্প আয়ের ৫৫ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে বছরের ছয় মাস চাল দেবে সরকার। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ প্রস্তাব করা হয়েছে।

6/11/2026

কৃষক পর্যায়ে ভর্তুকি মূল্যে সার সরবরাহ অব্যাহত থাকবে

কৃষক পর্যায়ে ভর্তুকি মূল্যে সার সরবরাহ অব্যাহত থাকবে

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ভর্তুকি মূল্যে কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এর সহায়তায় বিনামূল্যে রাশিয়া থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন সংগৃহীত সার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রণোদনা বাবদ কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এছাড়া মাটির স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় জৈব সার, সবুজ সার ও জীবাণু সারের ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে।

6/11/2026

কীটনাশক আমদানিতে ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফের প্রস্তাব

কীটনাশক আমদানিতে ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফের প্রস্তাব

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস): ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি কাজে ব্যবহৃত কীটনাশকের ওপর আমদানি পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং অগ্রিম কর সম্পূর্ণ মওকুফের প্রস্তাব করেছে সরকার।

6/11/2026

৮টি বিভাগে বিল নার্সারি স্থাপন ও অভয়াশ্রম রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম শুরু

৮টি বিভাগে বিল নার্সারি স্থাপন ও অভয়াশ্রম রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম শুরু

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস): দেশের অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ৮টি বিভাগে বিল নার্সারি স্থাপন ও অভয়াশ্রম রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া দেশের মৎস্য বৈচিত্র রক্ষায় সরকার বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও জীনপুল সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

6/11/2026

কৃষিখাতে ২৮ হাজার ৮৮১ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব

কৃষিখাতে ২৮ হাজার ৮৮১ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য ২৮ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

6/11/2026

কৃষক কার্ড বাবদ ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

কৃষক কার্ড বাবদ ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রাথমিকভাবে কৃষক কার্ড বাবদ ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫ হাজার কৃষককে 'কৃষক কার্ড' প্রদান করা হবে এবং দেশের সকল কৃষককে পর্যায়ক্রমে 'কৃষক কার্ড' প্রদান করার পরিকল্পনা রয়েছে।

6/11/2026

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ধারণক্ষমতা ও সংগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্য সরকারের

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ধারণক্ষমতা ও সংগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্য সরকারের

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ। সেই লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্যের ধারণক্ষমতা ও সংগ্রহ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

6/11/2026