১৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা: ...
ক্রীড়া

বিলিয়ন ডলারের উত্থানেও পিছিয়ে নারী ফুটবলাররা

Md. Ibrahim Mollahঢাকা

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ : অচিরেই নারী ফুটবল বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হতে যাচ্ছে। তার দৃশ্যমান প্রমানও অনেকাংশেই পাওয়া গেছে। কিন্তু অনেক পেশাদার খেলোয়াড় এখনো কম বেতন পাচ্ছেন, অনিশ্চিত চুক্তিতে কাজ করছেন এবং বাড়তি মানসিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছেন।

বিলিয়ন ডলারের উত্থানেও পিছিয়ে নারী ফুটবলাররা

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ : অচিরেই নারী ফুটবল বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হতে যাচ্ছে। তার দৃশ্যমান প্রমানও অনেকাংশেই পাওয়া গেছে। কিন্তু অনেক পেশাদার খেলোয়াড় এখনো কম বেতন পাচ্ছেন, অনিশ্চিত চুক্তিতে কাজ করছেন এবং বাড়তি মানসিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছেন।

বিশ্বজুড়ে খেলোয়াড়দের সংগঠন ফিফপ্রোর ৮০০ জনেরও বেশি ফুটবলারের ওপর পরিচালিত নতুন বৈশ্বিক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কেন তাঁরা আগেভাগে ফুটবল ছেড়ে দিতে পারেন, সে বিষয়ে খেলোয়াড়দের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগেভাগে খেলা ছাড়ার কথা বিবেচনা করা খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৯ শতাংশ আর্থিক সমস্যাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, ৪৬ শতাংশের ক্ষেত্রে মানসিক চাপকে একটি কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ফিফপ্রোর নারী ফুটবল বিভাগের প্রধান অ্যালেক্স কালভিন বলেন, এর পেছনে একক কোনো ব্যাখ্যা নেই। জনসমক্ষে খেলোয়াড়দের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং পর্যাপ্ত সহায়তাব্যবস্থার অভাবকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

কালভিন বলেন, “খেলোয়াড়েরা এখন অনেক বেশি দৃশ্যমান।”

তিনি আরও বলেন, “খেলোয়াড়দের শুধু জনসমক্ষে দৃশ্যমান থাকলেই চলে না, বরং তা তাঁদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। কারণ, তাঁদের আয় কম হওয়ায় এভাবেই পর্যাপ্ত ও স্থিতিশীল আয়ের ঘাটতি পূরণ করতে হচ্ছে ”

কালভিন বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়লেও অনেক খেলোয়াড় মনে করেন, তাঁদের একাই পরিস্থিতি সামলাতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, “খেলোয়াড়েরা বেশি মানসিক চাপের কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁরা বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা তাঁরা পাচ্ছেন না। সেটা ক্লাবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্ষেত্রেও প্রয়োজ্য।”

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া নারী খেলোয়াড়দের ৫৭ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগেছেন। তাঁদের অর্ধেকই ক্লাবের কাছ থেকে কোনো সহায়তা পাননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী ফুটবলের বৈশ্বিক আয় ২০২৪ সালের প্রায় ৫৮ কোটি ১০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২০২৭ সালে ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পেশাদার নারী ফুটবলারদের সামনে তৈরি হওয়া নতুন মানসিক চাপের বিষয়টিও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দুনিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেলোয়াড়েরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সহজলভ্য। এতে সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বাড়ছে, তবে একই সঙ্গে অনলাইনে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।

ফিফপ্রোর জরিপে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ২০১৭ সালের পর থেকে বেতন, পরিচিতি ও বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও পেশাদার নারী ফুটবলের বড় একটি অংশ এখনো অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে পরিচালিত হচ্ছে। কালভিনের মতে, খেলাটির বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সেই প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি খেলোয়াড়দের সুরক্ষাব্যবস্থার উন্নতি তাল মেলাতে পারছে না। তিনি বলেন “নারী ফুটবলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পক্ষে যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমার মনে হয়, নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং তাঁদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের সুযোগ করে দিতে প্রাতিষ্ঠানিক, নিয়ন্ত্রক ও নীতিগত ব্যবস্থাগুলোকে দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে।”

খেলোয়াড়েরা নিজেদের ‘পেশাদার’ মনে করেন না প্রতিবেদনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফলাফলগুলোর একটি হলো, খেলোয়াড়েরা নিজেদের পেশাদার পরিচয়কে কীভাবে দেখেন। ফিফার সংজ্ঞা অনুযায়ী, একজন পেশাদার খেলোয়াড়ের লিখিত চুক্তি থাকতে হবে এবং ফুটবল খেলার জন্য তাঁর যে খরচ হয়, তার চেয়ে বেশি অর্থ তাঁকে পারিশ্রমিক হিসেবে পেতে হবে।

জরিপে ৬২ শতাংশ খেলোয়াড় নিজেদের পেশাদার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ২৭ শতাংশ নিজেদের আধা-পেশাদার এবং ১২ শতাংশ অপেশাদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

জরিপে অংশ নেওয়া সব খেলোয়াড়ই নিজ নিজ দেশের শীর্ষ বিভাগের ক্লাবে খেলছেন। তা সত্ত্বেও, মাত্র ৭৮ শতাংশ জানিয়েছেন যে তাঁদের লিখিত চুক্তি রয়েছে এবং ৮২ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা ক্লাব থেকে পারিশ্রমিক পান। ৫৭ শতাংশ খেলোয়াড় জানিয়েছেন, তাঁদের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ফুটবল খেলার খরচ মেটানো সম্ভব।

কালভিন বলেন, “যেসব খেলোয়াড় পেশাদার হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের পেশাদার বলেমনে করেন না বা সেই অনুভূতি পান না, তাঁরা একজন কর্মী হিসেবে তাঁদের প্রাপ্য সব সুবিধা পাচ্ছেন না।”

প্রতিবেদনে বেতন বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৭ সালের তুলনায় গড় মাসিক আয় তিন গুণ বেড়ে ২ হাজার ৬০১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে মধ্যম বেতন মাত্র ১ হাজার ৬৬৯ ডলার।

অঞ্চলভেদে গড় মাসিক বেতনে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। উত্তর আমেরিকায় গড় মাসিক বেতন ৬ হাজার ৪৫০ ডলার এবং মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপে ৩ হাজার ৯৮২ ডলার। অন্যদিকে, পূর্ব ইউরোপে তা ৮৭৮ ডলার এবং আফ্রিকায় মাত্র ৪৮০ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মতো দেশের লিগগুলোতে বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও পূর্ব ইউরোপের ১০টি দেশে গড় বেতন এখনো জাতীয় ন্যূনতম মজুরির নিচে।

পশ্চিম ইউরোপ এবং এশিয়া-ওশেনিয়ার মতো বড় ফুটবল বাজারসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতেও গড় বেতন জাতীয় ন্যূনতম মজুরির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নয়।

প্রতিবেদনটি নির্দিষ্ট দেশের পরিবর্তে বিভিন্ন অঞ্চলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়ায় ফিফপ্রো লিগভিত্তিক গড় বেতনের তথ্য দিতে পারেনি।

স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ও বেতন পেতে বিলম্ব গড় চুক্তির মেয়াদও ২০১৭ সালের প্রায় এক বছর থেকে বেড়ে ১৯ মাস হয়েছে। তবে অনেক খেলোয়াড় এখনো নির্দিষ্ট আয়ের নিশ্চয়তা ছাড়াই বছরের কিছু সময় কাটান।

কালভিন বলেন, “মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ খেলোয়াড় পুরো ১২ মাসের জন্য পারিশ্রমিক পান। অনেক খেলোয়াড়ের চুক্তির মেয়াদ সাত বা নয় মাস। ফলে ক্যালেন্ডার বছরের বাকি সময়ের খরচ মেটাতে তাঁদের অন্যভাবে কাজ করতে হয়।”

তাঁর বিশ্বাস, নারী ফুটবলের দ্রুত বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি এসব বাস্তবতাকে কিছুটা আড়াল করে রেখেছে।

ইংল্যান্ডের নারী সুপার লিগ দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও ফিফপ্রোর মতে, ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভালো পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় বহু খেলোয়াড়ের বাস্তব চিত্র আড়াল করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, গত দুই মৌসুমে ২৪ শতাংশ খেলোয়াড় বেতন পেতে বিলম্বের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ৪২ শতাংশ খেলোয়াড়কে কোনো পেনশন সুবিধা দেওয়া হয়নি।

খেলোয়াড়দের জন্য ‘সতর্কবার্তা’ প্রয়োজন,কালভিনের মতে, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে।

তিনি বলেন, “এই ফুটবলব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য একটি সতর্কবার্তা প্রয়োজন। আমাদের খেলোয়াড়েরা ভুগছেন, অথচ তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বিত সহায়তা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা নেই।”

তবে সব প্রবণতাই নেতিবাচক নয়। খেলাটিতে যে একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাচ্ছে, তা হলো সন্তান নেওয়া ও পরিবার গঠনের ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের পরিস্থিতি।

২০১৭ সালে জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড়, যাঁরা আগেভাগে ফুটবল ছাড়ার কথা ভাবছিলেন, জানিয়েছিলেন যে পরিবার গঠনের ইচ্ছা তাঁদের খেলা ছেড়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।

বর্তমানে সেই হার কমে ১৯ শতাংশে নেমেছে। ফিফপ্রোর মতে, ২০২১ সালে ফিফার প্রবর্তিত মাতৃত্বকালীন বিধিমালা এবং দুই বছর আগে এর হালনাগাদ সংস্করণ এই উন্নতিতে ভূমিকা রেখেছে।

কালভিন বলেন, “আমরা যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। ২০২১ সালে মাতৃত্বকালীন বিধিমালা চালু করা হয়েছিল।”

প্রতিবেদনে নারী ফুটবলে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের চিত্রও উঠে এসেছে। শীর্ষ পর্যায়ের ক্লাব ও খেলোয়াড়েরা বিনিয়োগ এবং পরিচিতির সুফল পেলেও বিশ্বজুড়ে এই পেশার বড় একটি অংশ এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

কালভিন বলেন, “এই শিল্পের মনোযোগ মূলত শীর্ষ পাঁচ শতাংশ খেলোয়াড়ের দিকে। কিন্তু বাকি ৯৫ শতাংশ খেলোয়াড়ের অবস্থা কী? তাঁদের অনেকেই সময়মতো বেতন পান না, তাঁদের চুক্তির মেয়াদ স্বল্প। তাঁরা ১২ মাসের পারিশ্রমিকও পান না। তাঁরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত পরিবেশে কাজ করছেন।”

ফিফপ্রো বলছে সমাধান প্রবৃদ্ধির গতি কমিয়ে দেওয়া নয়; বরং বাণিজ্যিক সাফল্য ও খেলোয়াড়দের কল্যাণ যেন একসঙ্গে এগিয়ে যায়, তা নিশ্চিত করা।

কালভিন বলেন, “বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি ও খেলোয়াড়দের সুরক্ষার মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই দুটি বিষয়কে হাতে হাত রেখে, পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে।”

“আমরা বলছি, আর নয়, এবার যথেষ্ট হয়েছে। খেলোয়াড়দের প্রয়োজন অনুযায়ী এই শিল্পকে পদক্ষেপ নিতে হবে এবং খেলোয়াড়দের কণ্ঠস্বরকে কেন্দ্রে রাখতে হবে। তাঁদের প্রভাবিত করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খেলোয়াড়দের যেন আলোচনার টেবিলে জায়গা থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন:

সম্পর্কিত নিবন্ধ

লিটনের চাই ১৩১ রান, ৭ উইকেট দূরে মুস্তাফিজ

লিটনের চাই ১৩১ রান, ৭ উইকেট দূরে মুস্তাফিজ

ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আগামীকাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

10/16/2026

ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু করছে বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু করছে বাংলাদেশ

ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬: আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে আগামীকাল থেকে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এই সিরিজ দিয়েই আগামী বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে টাইগাররা।

10/16/2026

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে ভারতীয় দলে ভুবেনেশ্বর

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে ভারতীয় দলে ভুবেনেশ্বর

ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ভারতীয় দলে ডাক পেয়েছেন পেসার ভুবেনেশ্বর কুমার।

10/16/2026

অঘোষিত ফাইনালে কাল মুখোমুখি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

অঘোষিত ফাইনালে কাল মুখোমুখি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রথম চার ম্যাচ শেষে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-২ সমতা বিরাজ করছে। শেষ ম্যাচটি অঘোষিত ফাইনালে রূপ নিয়েছে। শেষ ম্যাচের বিজয়ী দল সিরিজ জিতে নেবে। সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই আগামীকাল পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

10/16/2026

দ্বিতীয় টেস্টেও অনিশ্চিত গ্রিন

দ্বিতীয় টেস্টেও অনিশ্চিত গ্রিন

ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও অনিশ্চিত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন।

10/16/2026

রানার্স-আপ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল

রানার্স-আপ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল

ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে হেরে রানার্স-আপ হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল।

10/16/2026

শ্রীলংকার ওয়ানডে দলে নিশাঙ্কার পরিবর্তে লাহিরু উদারা

শ্রীলংকার ওয়ানডে দলে নিশাঙ্কার পরিবর্তে লাহিরু উদারা

ঢাকা, ১৫ অক্টোবর ২০২৬: পাকিস্তানে আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য শ্রীলংকার ওয়ানডে দলে থাকছেন না পাথুম নিশাঙ্কা। মাঠে ফিরতে চিকিৎসকদের ছাড়পত্র এখনো না পাওয়ায় তাঁকে দলে রাখা হচ্ছে না বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে শ্রীলংকা ক্রিকেট (এসএলসি)।

10/15/2026

৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুরের কোয়ার্টার ফাইনালে জমজমাট লড়ই

৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুরের কোয়ার্টার ফাইনালে জমজমাট লড়ই

ঢাকা, ১৫ অক্টোবর ২০২৬: রমনা জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সে জমে উঠেছে ৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র জে-৩০ প্রতিযোগিতা। বৃহস্পতিবার টুর্নামেন্টের বিভিন্ন ইভেন্টে কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় প্রতিটি ম্যাচই ছিল বেশ প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ।

10/15/2026